Web Analytics
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে মক্কায় স্বাক্ষরিত নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে ইসরাইল এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তিটি মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের আঞ্চলিক সম্প্রসারণবাদ ও সামরিক কর্মকাণ্ডের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইসরাইলের দৃষ্টিতে তুরস্কের অংশগ্রহণ বিশেষভাবে উদ্বেগের বলে বিবেচিত হচ্ছে। গাজা যুদ্ধ নিয়ে তুরস্ক ইসরাইলের কঠোর সমালোচক, আর প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান সিরিয়া ও লেবাননে ইসরাইলের সামরিক তৎপরতাকে তুরস্কের জন্য সরাসরি হুমকি বলেছেন। ইসরাইলকে স্বীকৃতি না দেওয়া পাকিস্তানও তেলআবিবের সমালোচনা করেছে। গত এপ্রিলে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ ইসরাইলকে মানবতার জন্য অভিশাপ বলে উল্লেখ করেন।

বিশ্লেষকদের ভাষ্য, জোটটির লক্ষ্য শুধু ইসরাইলকে মোকাবিলা নয়; যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা-নির্ভরতার বাইরে সৌদি আরবের কৌশলগত বিকল্প তৈরি এবং ইরানের বিরুদ্ধে সহযোগিতা বাড়ানোও এর উদ্দেশ্য। অক্টোবরে জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তুরস্ককে সম্ভাব্য কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তুলে ধরছেন। বিরোধীরা চুক্তিটিকে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করাতে তার কূটনৈতিক ব্যর্থতার প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।