চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু হলে প্রতিষ্ঠানটির জন্য আয়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সিএসইর সাবেক সভাপতি ও ইস্পাহানি গ্রুপের চেয়ারম্যান মির্জা সালমান। মঙ্গলবার চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে সিএসইর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সেমিনারের বিষয় ছিল বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বহুমুখীকরণ ও কমোডিটি এক্সচেঞ্জের সম্ভাবনা।
মির্জা সালমান বলেন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু হলে উৎপাদক ও সাধারণ ব্যবসায়ীরা চুক্তিভিত্তিক লেনদেনের মাধ্যমে পণ্যের ভবিষ্যৎ দামের ঝুঁকি কমাতে পারবেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, কমোডিটি লেনদেনে ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। এ কারণে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার এবং ঝুঁকি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি বলেন, মাত্র ১০ শতাংশ মার্জিন দিয়ে বড় অঙ্কের লেনদেনে গেলে একদিনেই বড় ধরনের লোকসান হতে পারে। নিজের আর্থিক সক্ষমতার বাইরে গিয়ে লেনদেন না করারও পরামর্শ দেন তিনি। বাজার কারসাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিএসইর স্বয়ংক্রিয় লেনদেন ও নজরদারি ব্যবস্থা শক্তিশালী এবং প্রতিটি লেনদেনের তথ্য সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষিত থাকে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা চাইলে এসব তথ্যের ভিত্তিতে কারসাজি শনাক্ত করতে পারবে।