বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের অনুমোদন দিয়েছিলেন। বুধবার লোকসভায় বক্তব্যে তিনি বলেন, দিল্লিতে ২০ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি বলপ্রয়োগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে হয়েছে। তাঁর বক্তব্যের পর লোকসভায় হট্টগোল শুরু হয়।
রাহুল গান্ধী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং তাদের শরীরে পেলেট ঢুকেছে। তাঁর দাবি, এ ধরনের বলপ্রয়োগ অনুমোদনের ক্ষমতা কেবল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর রয়েছে। তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাহসের প্রশংসা করেন এবং অভিযোগ করেন, আরএসএস দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রভাব বিস্তার করেছে, ফলে শিক্ষার্থীরা স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করার সুযোগ পাচ্ছে না।
কেন্দ্রীয় সংসদীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু অভিযোগটির তীব্র প্রতিবাদ করে প্রমাণ দাবি করেন। তিনি বলেন, তথ্যপ্রমাণ ছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ করা যায় না। অধিবেশন মুলতবি হওয়ার পর কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল বলেন, দিল্লি পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নেওয়া পুলিশি পদক্ষেপের ব্যাখ্যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দিতে হবে। রাহুল আরও বলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করলেও তা প্রতীকী হবে, কারণ তাঁর মতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কার্যত আরএসএস পরিচালনা করছে।