হরমুজ প্রণালিতে নৌপথে বিঘ্ন অব্যাহত থাকলে ইরানের অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদে চাপের মুখে পড়তে পারে। এই পরিস্থিতিতে দেশটি রাশিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর দিকে নজর দিচ্ছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সম্প্রতি সেন্ট পিটার্সবার্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে হরমুজ পরিস্থিতি ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনা হয়। ২০২৪ সালে দুই দেশের বাণিজ্য প্রায় ৪.৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়, যা ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, দুই দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো একই ধরনের হওয়ায় এই সম্পর্ক এখনো সীমিত।
দুই দেশের প্রধান সংযোগ আন্তর্জাতিক উত্তর–দক্ষিণ পরিবহন করিডর, যা কাস্পিয়ান সাগর পেরিয়ে রাশিয়াকে এশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রুট কিছুটা সহায়তা দিতে পারে, কিন্তু হরমুজ প্রণালীর বিকল্প নয়। ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ বাণিজ্য সমুদ্রপথে হওয়ায় স্থলপথে রূপান্তর ব্যয়বহুল ও ধীর হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া স্বল্পমেয়াদে সীমিত সহায়তা দিতে পারে, তবে পূর্ণ অর্থনৈতিক ভরসা হিসেবে কাজ করার সম্ভাবনা এখনো কম।