ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়েছেন, যখন একটি ভিডিওতে দেখা যায় তিনি আন্তর্জাতিক জলসীমায় আটক মানবিক সহায়তা বহনকারী নৌবহরের কর্মীদের নিয়ে উপহাস করছেন। এই কর্মীরা, যাদের বেশিরভাগই বিদেশি নাগরিক, গাজায় সহায়তা পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন। আটক অবস্থায় অন্তত ১৫ জন কর্মী যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যা ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দেয়। ফ্রান্স বেন-গভিরের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে, আর ইতালি, কানাডা, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, জার্মানি ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ এক ডজনেরও বেশি দেশ ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতদের তলব বা নিন্দা জানিয়েছে। এমনকি মার্কিন রাষ্ট্রদূতও বেন-গভিরের কর্মকাণ্ডকে জাতীয় মর্যাদার প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা বলে মন্তব্য করেছেন।
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ বন্দিদের প্রতি নির্যাতন ও বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার নিন্দা জানালে বেন-গভির তার অপসারণ দাবি করেন। একই সময়ে, অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ খান আল-আহমার গ্রাম ধ্বংসের নির্দেশ দেন এবং পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের পদক্ষেপের প্রতিশোধ হিসেবে ঘোষণা করেন। কনেসেট শিক্ষা কমিটি পশ্চিম তীর ও গাজায় প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের ওপর ইসরায়েলি বেসামরিক কর্তৃত্ব বাড়ানোর বিলও দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক চুক্তি লঙ্ঘনের আশঙ্কা তৈরি করেছে।
এই ঘটনাগুলোর পাশাপাশি দখলকৃত অঞ্চলে অভিযান, ধ্বংসযজ্ঞ ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলা অব্যাহত রয়েছে, আর গাজায় মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে।