রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিরোধী কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেপ্তার অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজকে চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। শনিবার রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৩ অক্টোবর পল্লবী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা আইনে করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তিনি বর্তমানে ডিবি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি রয়েছেন।
তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর হাফিজ আরও সক্রিয় হন। ঢাকায় ও টাঙ্গাইলে আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ, ফেসবুকে প্রচারণা এবং ঝটিকা মিছিলের মতো কর্মসূচিতে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তদন্তকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি বিদেশে, বিশেষ করে ভারতে অবস্থানরত দলীয় নেতাদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতেন এবং টেলিগ্রামে একটি গ্রুপ খুলেছিলেন।
পুলিশ হাফিজের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা অন্যদের শনাক্ত, কথিত অর্থায়ন ও যোগাযোগের ধরন যাচাই করছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টার্স আলফা নামে সরকারবিরোধী একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলেছিলেন। ওই গ্রুপে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট গুলশান আরা ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া যুক্ত ছিলেন। তারা একই মামলায় বর্তমানে কারাগারে আছেন।