এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের খাতা পুনর্মূল্যায়নের জন্য ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ১৩ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। ১১ থেকে ১৭ আগস্ট আবেদন গ্রহণের সময়সীমা ছিল এবং শেষ দিনে এই রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা হয়। এত বিপুলসংখ্যক খাতা নতুন করে মূল্যায়ন করতে শিক্ষা বোর্ডগুলো প্রয়োজনীয় জনবল নির্ধারণসহ ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে। ঢাকা বোর্ডেই প্রায় ৪ লাখ আবেদন পড়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।
১০ আগস্ট প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, ৯টি সাধারণ বোর্ড এবং মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে পাসের হার ছিল ৬২.২৫ শতাংশ। মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পাস করেন এবং ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন অনুত্তীর্ণ হন। আগের বছরগুলোতে পুনর্নিরীক্ষার সুযোগ থাকলেও এবার থেকে উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের নিয়ম চালু হয়েছে। অনুত্তীর্ণদের পাশাপাশি প্রাপ্ত জিপিএ নিয়ে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরাও আবেদন করেছেন।
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সব আবেদনকারীর খাতা পুনর্মূল্যায়ন করা সম্ভব নয় এবং কোন ধরনের খাতা পুনঃপরীক্ষা হতে পারে তা নির্ধারণে নীতিমালা করা হবে। আগের পরীক্ষক ও প্রধান পরীক্ষকেরাই খাতা দেখবেন; কোড অনুযায়ী কম্পিউটারে নম্বর যোগ হবে। এই কাজ শেষ করতে ১৫ থেকে ২০ দিন লাগতে পারে। প্রতিটি পত্রের জন্য অনলাইনে আবেদনের ফি ১৫০ টাকা।