Web Analytics
২০২৬ সালের ৩০ মার্চ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ওয়েবক্যাম হ্যাকিং এখন ক্রমবর্ধমান এক ডিজিটাল ঝুঁকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে। সাইবার অপরাধীরা ফিশিং লিংক, ভুয়া সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ল্যাপটপে প্রবেশ করে গোপনে ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে। এরপর তারা ব্যবহারকারীর অজান্তে ভিডিও ধারণ, স্ক্রিন রেকর্ড বা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে ফ্রি বা ক্র্যাকড সফটওয়্যার ব্যবহারের প্রবণতা এবং নিরাপত্তা সম্পর্কে অজ্ঞতা এই ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে।

প্রতিবেদনটি জানায়, হ্যাকিংয়ের কিছু সূক্ষ্ম লক্ষণ যেমন ক্যামেরার লাইট হঠাৎ জ্বলে ওঠা বা ল্যাপটপ ধীর হয়ে যাওয়া দেখা গেলেও দক্ষ হ্যাকাররা অনেক সময় এসব চিহ্নও আড়াল করে রাখে। তাই ব্যবহারকারীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ওয়েবক্যাম ব্যবহার না করলে সেটি ঢেকে রাখা, অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যান্টিভাইরাস আপডেট রাখা, অচেনা লিংক এড়িয়ে চলা এবং পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার না করার জন্য। শক্তিশালী ও আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহারের কথাও বলা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আতঙ্ক নয় বরং সচেতনতা ও নিয়মিত নিরাপত্তা চর্চাই এই ঝুঁকি মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।