বাংলাদেশে প্রবাসী কর্মীদের লাশ ছাড়াতে স্বজনদের ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে। গাইবান্ধার ওমর ফারুকের লাশ রিয়াদ থেকে ঢাকায় পৌঁছানোর পর কাগজপত্রের জটিলতায় ১৪ ঘণ্টা বিলম্বে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকলে বিমানবন্দরের ভেতরে কিছু অসাধু চক্র সুযোগ নিয়ে অর্থ আদায় করে।
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রবাসী কর্মীর লাশ দেশে আসামাত্রই বিলম্ব ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং প্রতিটি পরিবারকে দাফন খরচ বাবদ ৩৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সম্প্রতি কুয়েত, মালয়েশিয়া ও লিবিয়া থেকে ৩৪ জন প্রবাসীর লাশ দেশে এসেছে এবং প্রত্যেক পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ৪,৮১৩ জন প্রবাসী কর্মীর লাশ দেশে এসেছে, যা ২০২৩ সালের ৪,৫৫২ জনের তুলনায় বেশি।