একসময় বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম হ্রদ হিসেবে পরিচিত আরাল সাগর, যা কাজাখস্তান ও উজবেকিস্তানের সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত ছিল, এখন তার আগের আয়তনের এক-দশমাংশেরও কমে নেমে এসেছে। স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও মৎস্যসম্পদের প্রধান উৎস এই সাগর এখন পরিত্যক্ত বন্দর ও মরিচাপড়া জাহাজে ভরা এক লবণাক্ত মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) একে বিংশ শতাব্দীর ভয়াবহতম পরিবেশগত বিপর্যয়গুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এই সংকটের সূচনা ১৯৬০-এর দশকে, যখন সোভিয়েত ইউনিয়নের পরিকল্পনায় আমু দরিয়া ও সির দরিয়া নদীর পানি তুলা চাষে সরিয়ে নেওয়া হয়। ফলে সাগরে পানির প্রবাহ কমে গিয়ে দ্রুত শুকিয়ে যায়। উন্মুক্ত তলদেশ এখন ‘আরালকুম মরুভূমি’ নামে পরিচিত, যা বিশ্বের নবীনতম মরুভূমিগুলোর একটি।
এই দীর্ঘস্থায়ী সংকট মোকাবিলায় সম্প্রতি কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় মধ্য এশিয়ার নেতারা এক বৈঠকে মিলিত হয়ে যৌথ জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যতে ক্ষতি রোধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।