ভারতে পলাতক এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লিতে গণমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ৬ আগস্ট প্রকাশিত বিবৃতির খবর অনুযায়ী, মন্ত্রণালয় বলেছে, ওই অনুষ্ঠানে হাসিনা ও তাঁর সহযোগীরা বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও জনগণের বিরুদ্ধে বিষোদ্গারমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে বাংলাদেশ আগেই ভারত সরকারকে উদ্বেগ জানিয়েছিল। তারপরও আয়োজনটির অনুমতি দেওয়ায় ঢাকা দুঃখ প্রকাশ করেছে। জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে শহীদদের স্মরণের দিনে ভারতীয় মাটিতে এই উপস্থিতিকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি গুরুতর অসম্মান বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে শিশুসহ নিরীহ বেসামরিক নাগরিক হত্যার ঘটনা অস্বীকার করে ইতিহাস বদলানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, যা জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। বাংলাদেশ ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় হাসিনাকে ফেরত চেয়ে একাধিক অনুরোধ করলেও ভারতের কোনো সাড়া পায়নি। ঢাকা সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অনধিকার হস্তক্ষেপ না করার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক চায় বলে জানিয়েছে।