বাংলাদেশের সরকারি চাকরির নিয়োগে পুলিশ ভেরিফিকেশনের কারণে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ আটকে থাকা এবং ভাইভা পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে একটি মতামত নিবন্ধে সমালোচনা করা হয়েছে। নিবন্ধে বলা হয়, ৮ ফেব্রুয়ারি ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়। গত সপ্তাহে নিয়োগপত্র দেওয়ার পর সমকালের প্রতিবেদনের বরাতে প্রায় ২ হাজার ৫০০ জন এখনো নিয়োগপত্র পাননি বলে উল্লেখ করা হয়েছে; পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্টের কারণে তাঁদের নিয়োগ আটকে আছে।
লেখক বলেন, নিয়োগপত্র না পাওয়া কয়েকজন তরুণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ করেছেন যে সরকারবিরোধী রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা, সমর্থন বা পরিবারের সদস্যের বিরোধী রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে তাঁরা বাদ পড়েছেন। নিবন্ধে বিভিন্ন গ্রেডে লিখিত পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবও প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। ১১ ও ১২তম গ্রেডে ভাইভার নম্বর ১০ থেকে ৫০ করার প্রস্তাবের কথা বলা হয়েছে।
নিবন্ধে সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুপারিশ করার বক্তব্য তুলে ধরে ভাইভায় রাজনৈতিক প্রভাবের আশঙ্কা করা হয়েছে। সরকারের তথ্য উপদেষ্টা বেশি ভাইভা নম্বরকে আইনগত ও ভালো নিয়োগের উপযোগী বলেছেন। লেখকের মতে, এ ধরনের পদ্ধতি বিএনপির ইশতেহারে উল্লিখিত মেরিটোক্রেসি ও দলীয়করণ রোধের অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।