সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন ও কুয়েতসহ উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও বিভিন্ন স্থাপনায় এসব হামলার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর শত শত মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে হামলাকে ‘মহিমান্বিত’ করা বা জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির অভিযোগ আনা হয়েছে।
ওয়াশিংটনভিত্তিক মিডল ইস্ট পলিসি কাউন্সিলের ফেলো সুলতান আল-আমের বলেন, এই দমন-পীড়নের পেছনে দুটি কারণ রয়েছে—ইরানের গোয়েন্দারা এসব ভিডিও ব্যবহার করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শনাক্ত করতে পারে এবং উপসাগরীয় শহরগুলোর নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ভাবমূর্তি রক্ষা করা। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত বিনিয়োগকারী ও পর্যটকদের কাছে নিজেদের আকর্ষণীয় হিসেবে তুলে ধরতে চায়।
আমিরাতের জাতীয় গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষের প্রধান আবদুল্লাহ আল-হামেদ সতর্ক করে বলেন, একটি ছবি আতঙ্ক ছড়াতে পারে এবং ভুল তথ্য সমাজকে অস্থির করতে পারে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রও নিজ দেশের সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।