বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে গোপন যোগাযোগ ও সমঝোতার অভিযোগে ক্ষমতাসীন বিএনপি এবং বিরোধী জামায়াতে ইসলামী পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিচ্ছে। মঙ্গলবার রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী শক্তি অর্থ সরবরাহ করছে এবং দেশের ভেতরে অন্য একটি পক্ষ অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। এর জবাবে বুধবার ঢাকায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, বিএনপি আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করার সুযোগ দিচ্ছে।
জুলাই সনদ, জ্বালানি সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপি সরকার এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় বিরোধী জোটের মধ্যে টানাপোড়েন বেড়েছে। বিরোধী দল লংমার্চ ও বিভাগীয় সমাবেশ করেছে। রাজধানী ও আশপাশে বকেয়া বেতন এবং বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিক আন্দোলনও চলছে। সরকার এসব কর্মসূচির মাধ্যমে তাকে বেকায়দায় ফেলার অভিযোগ তুলেছে।
বিশ্লেষকেরা বলেছেন, উভয় পক্ষের অভিযোগের পক্ষে প্রকাশ্যে অকাট্য প্রমাণ ওঠেনি। প্রধানমন্ত্রীর গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক বক্তব্যের প্রমাণ প্রকাশ এবং বিরোধী দলের পাল্টা অভিযোগের ব্যাখ্যা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। তাঁদের মতে, পারস্পরিক দোষারোপ অব্যাহত থাকলে বিতাড়িত আওয়ামী লীগ সুবিধা নিতে পারে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।