রোববার রাতে ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপি আয়োজিত জনসভায় অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১৫ জন সাংবাদিকও রয়েছেন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দ্বিতীয়বারের মতো ফেনীতে বক্তৃতা দিতে গিয়ে সভাস্থলে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে জনতা মঞ্চের দিকে ছুটে গেলে তিনি বক্তৃতা সংক্ষিপ্ত করেন। পরে বিজিবি, পুলিশ ও সিএসএফ সদস্যরা তাকে নিরাপদে গাড়িতে তুলে দেন।
সভায় প্রটোকল ভঙ্গ, সাউন্ড সিস্টেমের ত্রুটি ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার অভিযোগ ওঠে। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব ছিল আওয়ামী লীগ নেতার ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির হাতে, যা নিয়ে নাশকতার আশঙ্কা প্রকাশ করেন অনেকে। আহতদের মধ্যে কারও খোঁজ নিতে বিএনপি নেতাদের দেখা যায়নি, আর সভাস্থল থেকে মোবাইল ও মানিব্যাগ চুরির ঘটনাও ঘটে।
ফেনী টেলিভিশন জার্নালিস্ট ক্লাবের সভাপতি আতিয়ার সজল সাংবাদিকদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। জেলা বিএনপি নেতারা বলেন, অতিরিক্ত ভিড় ও আবেগের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, যা দুঃখজনক।