জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে বেসরকারি কনটেইনার ডিপো মালিকদের সংগঠন বিকডা সাড়ে আট শতাংশ মাশুল বাড়িয়েছে। রোববার রাত ১২টা এক মিনিট থেকে নতুন হার কার্যকর করা হয় এবং সোমবার সকালে স্টেকহোল্ডারদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। বিজিএমইএসহ আমদানি-রপ্তানি খাতের ব্যবসায়ী নেতারা অভিযোগ করেছেন, ট্যারিফ কমিটির অনুমোদন বা স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই একতরফাভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিকডার দাবি, এটি মাশুল বৃদ্ধি নয়, বরং জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাধ্য হয়ে আরোপ করা ‘ফুয়েল সারচার্জ’। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, অফডক পরিচালনায় ব্যবহৃত সব যন্ত্রপাতি ও লরি ডিজেলচালিত, এবং সরকার প্রতি লিটারে প্রায় ২০ টাকা বাড়ানোর ফলে পরিচালন ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের সম্প্রসারিত অংশ হিসেবে কাজ করা ১৯টি বেসরকারি ডিপোতে বছরে বিপুল পরিমাণ আমদানি ও রপ্তানি কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়।
ব্যবসায়ী নেতারা সতর্ক করেছেন, আলোচনাবিহীন এই সিদ্ধান্ত জাতীয় অর্থনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং মাশুল বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।