রংপুর বিভাগে প্রায় দেড় মাস ধরে চলমান জ্বালানি তেলের সংকট আরও বেড়েছে, এতে সাধারণ মানুষ ও কর্মজীবীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। প্রতিদিন গড়ে ১০ লাখ লিটার ডিজেলের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হচ্ছে ৯ লাখ লিটার। পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহও চাহিদার তুলনায় অনেক কম। সরকার নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত তেল বিক্রির নিয়মে জটিলতা আরও বেড়েছে, ফলে অনেকেই বাইক চালানো বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন।
তেল নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, এতে কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। সরবরাহ কমে যাওয়ায় অনেক পাম্প বন্ধ হয়ে গেছে, বাকিগুলোও অনিয়মিতভাবে তেল পাচ্ছে। পাম্প মালিকরা জানিয়েছেন, ডিপো থেকে পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না। রংপুর পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, সরবরাহ ব্যবস্থা দ্রুত উন্নত না হলে মালিকরা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন।
রংপুর বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ডিজেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও পেট্রোল ও অকটেনে ঘাটতি রয়েছে। তিনি দ্রুত সংকট নিরসনের আশাবাদ ব্যক্ত করে সবাইকে সচেতনভাবে জ্বালানি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন।