অবৈধভাবে ১১ কোটি টাকারও বেশি সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ২০২৬ সালের ৮ মার্চ রোববার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের দাখিল করা অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এই আদেশ দেন। বেনজীর আহমেদ পলাতক থাকায় আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন এবং আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে গ্রেপ্তারের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন বলে আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জানান।
দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর দুদক অভিযোগপত্র দাখিল করে, যেখানে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়, ঘোষিত সম্পদের তুলনায় তদন্তে তার নামে আরও বেশি সম্পদের প্রমাণ মেলে।
তদন্তে দেখা যায়, বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে ৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকার প্রমাণ পাওয়া গেলেও ১১ কোটি টাকার সম্পদের উৎস অজানা। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি এসব অর্থের উৎস ও মালিকানা গোপন রেখে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন।