বাংলাদেশ সরকার পারিবারিক অপরাধ প্রতিরোধ ও দমন এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ‘পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০১০ সালের ‘পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন’ রহিত করে নারী ও শিশুর সুরক্ষায় আরও পরিপূর্ণ ও সময়োপযোগী আইনি কাঠামো প্রবর্তন করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে পারিবারিক সহিংসতার সংজ্ঞা বিস্তৃত করা হয়েছে, যাতে শারীরিক, মানসিক, যৌন ও আর্থিক নির্যাতন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মানসিক স্বাস্থ্য ক্ষুণ্ণ করার মতো আচরণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত মানসিক নির্যাতনকেও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অধিকাংশ আবেদন ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং আদালতের আদেশ অমান্য করলে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা বা অবহেলার ক্ষেত্রে আইনপ্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতাও নিশ্চিত করা হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, এই অধ্যাদেশ পরিবারে নিরাপত্তা, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে শূন্য সহনশীলতা নীতির বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।