জাতীয় প্রেসক্লাবে এগ্রিকালচারিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশ (এএফবি) আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষজ্ঞ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, প্রস্তাবিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ থাকলেও কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটি যথেষ্ট সাহসী নয়। তারা কৃষির টেকসই উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষকের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৩ দফা সুপারিশ পেশ করেন।
বক্তারা জানান, বাজেটে সার, কীটনাশক, ভেটেরিনারি ইনপুট ও পোল্ট্রি যন্ত্রপাতিতে কর-শুল্ক ছাড় এবং খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের উদ্যোগ ইতিবাচক হলেও বৃহত্তর কৃষি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি মাত্র ২.২৫ শতাংশ, যা বাজেটের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির তুলনায় অনেক কম। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বরাদ্দ আগের বছরের তুলনায় ১৮.৪৫ শতাংশ কমেছে। ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবির বাজেটটিকে ‘ধোকাবাজির বাজেট’ বলে মন্তব্য করেন।
এএফবি প্রতিনিধিরা কৃষি খাতে মোট বাজেটের অন্তত ১০ শতাংশ বরাদ্দ, গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ফসল বীমা ও উপকূলীয় কৃষি কর্তৃপক্ষ গঠন এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি সম্প্রসারণে নীতিগত পদক্ষেপ জোরদারের আহ্বান জানান।