প্রশাসনে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে; বিশেষ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও জনপ্রশাসন সচিব পদ ঘিরে। চলতি মাসে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এহছানুল হকের দুই বছরের চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব সাইদুর রহমান খানকে ২৯ জুলাই দুদকের সচিব করা হয়েছে এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব নজরুল ইসলামকে ৫৯ বছর পূর্ণ হওয়ায় অবসরে পাঠানো হয়েছে।
সচিবালয়ের গুঞ্জন অনুযায়ী, এহছানুল হকের স্থলে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সালেহ আহমেদের চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে নিয়োগ হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব পেতে পারেন; অন্যদিকে নাসিমুল গণির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর সম্ভাবনাও আলোচনায় আছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের কথাও শোনা যাচ্ছে, তবে গৃহায়ন ও গণপূর্তে নিয়মিত কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে একজনকে বাছাইয়ের কথা বলা হয়েছে।
বর্তমানে ২২ জন সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে আছেন। ২৩ জুলাই নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিবসহ ১২টি গুরুত্বপূর্ণ পদে এক বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। সাবেক সচিব আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, সরকার যাকে নির্ভরযোগ্য মনে করে দায়িত্ব দিতে পারে এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ নতুন নয়। তিনি পদোন্নতিতে সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন।