বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জানিয়েছে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিনে সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হবে। রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যে নির্বাচনের প্রক্রিয়া বানচালের লক্ষ্যে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়ানোর উসকানি রয়েছে বলে সরকার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
সরকার ভারতের প্রতি গভীর বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, নয়াদিল্লিতে এমন বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণ ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির পরিপন্থি। বিবৃতিতে বলা হয়, শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারের পতনের আহ্বান জানিয়েছেন এবং দলীয় অনুসারীদের সহিংস কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে উৎসাহিত করেছেন। সরকার এটিকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের জন্য বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনার অনুরোধ ভারত এখনো পালন করেনি এবং তাকে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে।