আমার দেশে ২১ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত আল জাজিরার একটি মতামত নিবন্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে ইসরাইল পশ্চিমা দেশগুলোতে ইসলামবিদ্বেষ উসকে দিয়ে আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে। নিবন্ধটি বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ডানপন্থি রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে ইসরাইল নিজেকে কথিত ‘কট্টরপন্থি ইসলাম’-এর বিরুদ্ধে পশ্চিমা বিশ্বের রক্ষাকবচ হিসেবে উপস্থাপন করছে।
নিবন্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমবিদ্বেষী বক্তব্য ও রাজনৈতিক প্রচারণা বৃদ্ধি, ‘শরিয়া-ফ্রি আমেরিকা ককাস’-এর মতো উদ্যোগ এবং মসজিদে হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর জর্জ ডব্লিউ বুশের ইসলামকে শান্তির ধর্ম বলার বার্তার সঙ্গে বর্তমান মার্কিন ডানপন্থি রাজনীতির পার্থক্যও তুলে ধরা হয়। চলতি জানুয়ারিতে জেরুজালেমে ইসরাইল আয়োজিত ইহুদিবিদ্বেষবিরোধী সম্মেলনে ইউরোপের কট্টর ডানপন্থি দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন বলেও নিবন্ধে বলা হয়েছে।
বিশ্লেষণটিতে ইসরাইলের জনসংযোগ ও হাসবারা প্রচারণার ভূমিকার অভিযোগ তোলা হয়েছে এবং কানাডায় মুসলিম অভিবাসীদের হুমকি হিসেবে দেখানোর কথাও বলা হয়েছে। গাজা যুদ্ধের কারণে ইসরাইলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর প্রচারণা জোরদার হয়েছে বলে এতে দাবি করা হয়। তবে মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়ায় ইসলামবিদ্বেষের মাধ্যমে পশ্চিমা সমর্থন ফেরানো নিয়ে নিবন্ধটি সংশয় প্রকাশ করেছে।