বাংলাদেশের হাওরাঞ্চলের হাজারো কৃষক আগাম বৃষ্টি, শ্রমিক সংকট ও ধান কাটার যন্ত্রের ঘাটতিতে ত্রিমুখী সংকটে পড়েছেন। সূত্র জানায়, গত বছরের তুলনায় এবার মাঠে প্রায় ১০ শতাংশ কম হারভেস্টার ছিল, যদিও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ দাবি অস্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, অতিরিক্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং সুনামগঞ্জসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ড্রায়ার মেশিন পাঠানো হচ্ছে।
আগাম বন্যায় ২৮ হাজার ২০১ হেক্টর জমির ধান পানিতে ডুবে গেছে, এতে প্রায় চার হাজার কৃষক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। কৃষকদের অভিযোগ, আগাম বৃষ্টির কারণে অন্যান্য জেলা থেকে শ্রমিকরা আসতে পারেননি, ফলে মজুরি বেড়েছে এবং সময়মতো ধান কাটা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘসময় ভেজা অবস্থায় থাকায় ধানে অঙ্কুরোদ্গম শুরু হয়েছে, যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এবার হাওরাঞ্চলে ৩০–৩৫ শতাংশ ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে সার্বিকভাবে বোরো ধানের উৎপাদনে প্রায় ১০ শতাংশ ঘাটতি দেখা দিতে পারে এবং খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।