বাংলাদেশে বোতলজাত ভোজ্যতেলের সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে বলে বিক্রেতা ও ডিলারদের অভিযোগ। তাদের ভাষ্য, তেলের দাম আরও বাড়ানোর চেষ্টায় কোম্পানিগুলো সরবরাহ কমিয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সরকার নির্ধারিত ২০৪ টাকার এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২১০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে; কোথাও আবার তা পাওয়া যাচ্ছে না।
নয়াবাজার, কারওয়ানবাজার, কেরানীগঞ্জের বউবাজার ও কালীগঞ্জ বাজারের বিক্রেতারা জানান, আগের তুলনায় কম বোতলজাত সয়াবিন তেল সরবরাহ পাচ্ছেন তারা। গত এক সপ্তাহে খোলা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ২ থেকে ৪ টাকা বেড়ে ১৯০-১৯৫ টাকা এবং খোলা পাম তেলের দাম ১৭০-১৭৫ টাকায় উঠেছে। বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন ২০ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য সচিবের কাছে দাম সমন্বয়ের প্রস্তাব দেয়।
সরকার এখনো নতুন দাম অনুমোদন করেনি। ৩০ সেপ্টেম্বর বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, আন্তর্জাতিক বাজার, আমদানি ও উৎপাদন ব্যয় এবং দেশের বাজারে প্রভাব যাচাই করেই সিদ্ধান্ত হবে। ক্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন অভিযোগ করেন, দাম বাড়ানোর আগে কোম্পানিগুলো সরবরাহ কমিয়ে সংকট তৈরি করে। এ বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোম্পানির কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।