মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রকাশ্য বক্তব্য, সংবাদ সম্মেলন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে অশালীন ভাষার ব্যবহার বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক যোগাযোগে গ্রহণযোগ্য ভাষার সীমা বদলাচ্ছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি ২০২৫ সালের জুনে ইসরাইল-ইরানের ১২ দিনের যুদ্ধের পর যুদ্ধবিরতি প্রসঙ্গে, অক্টোবরে ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে নিয়ে এবং এপ্রিলের এক পোস্টে ইরানকে উদ্দেশ করে এমন ভাষা ব্যবহার করেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, লিন্ডন বি. জনসন ও রিচার্ড নিক্সনের অশালীন ভাষা মূলত ব্যক্তিগত রেকর্ডিং প্রকাশের মাধ্যমে সামনে এসেছিল। ২০০০ সালের নির্বাচনী প্রচারে জর্জ ডব্লিউ বুশের একটি মন্তব্য মাইক্রোফোনে ধরা পড়ার পর তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। অধ্যাপক মাইকেল অ্যাডামসের মতে, ট্রাম্পের ভাষা তাকে জোরালো ও অনির্দেশ্য হিসেবে তুলে ধরতে এবং প্রচলিত শিষ্টাচারকে গুরুত্ব না দেওয়ার ভাবমূর্তি গড়তে পারে।
ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, মিনিয়াপোলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রে ও সিনেটর ট্যামি ডাকওয়ার্থের বক্তব্যেও এমন ভাষার নজির রয়েছে। বিশ্লেষকেরা রাজনৈতিক মেরুকরণ, রাজনীতিবিদদের প্রতি আস্থার সংকট, সাধারণ মানুষের কাছাকাছি দেখানোর চেষ্টা ও ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড তৈরিকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অধ্যাপক বেঞ্জামিন বার্গেন বলেন, ভবিষ্যতে পরবর্তী প্রজন্ম এর বিপরীতে আরও সংযত ভাষার দিকে ফিরতেও পারে।