গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ ও ফিলিস্তিনিদের ওপর নিপীড়নকে ঘিরে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্ক ক্রমেই টানাপোড়েনপূর্ণ হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচন দেশটির সঙ্গে ইউরোপের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। একসময় ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত ইসরাইল এখন সমালোচনা, নিষেধাজ্ঞা ও কূটনৈতিক চাপের মুখে থাকলেও বহু সম্পর্ক এখনো পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়নি।
গাজায় অন্তত ৭৪ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াক্ষেত্রের সম্পর্কেও বিরোধ দেখা দিয়েছে। ইসরাইলের অংশগ্রহণের প্রতিবাদে কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ ইউরোভিশন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে এবং কিছু ফুটবলার ইসরাইলি দলের বিপক্ষে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। আয়ারল্যান্ড ও স্পেনের নেতারা প্রকাশ্যে নিন্দা জানিয়েছেন। যুক্তরাজ্য অবৈধ বসতি থেকে পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করেছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, উগ্র ইহুদি দলগুলোর সমর্থনে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ফিরলে ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তুলনামূলক উদারপন্থি জোট বসতি সম্প্রসারণ কমাতে পারে, তবে দ্রুত স্বাভাবিকতা ফেরার সম্ভাবনা কম। ইউরোপের সরকারগুলো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও দখলদারত্বের অবসানে বাস্তব অগ্রগতি চাইবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।