গত তিন দিনের অবিরাম লোডশেডিংয়ে চট্টগ্রাম শহর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। খুলশী, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, বায়েজিদ, পাঁচলাইশ, পতেঙ্গা ও কর্নেলহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ ঘণ্টাও টানা বিদ্যুৎ মিলছে না। কোনো সময়সূচি বা পূর্বঘোষণা ছাড়াই বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে, ফলে হাসপাতাল, ব্যাংক, ক্লিনিক, দোকান ও স্কুলে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। লালখানবাজারে দিনে ১০–১৫ বার পর্যন্ত বিদ্যুৎ ওঠানামা করছে, আর বায়েজিদ এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অন্ধকারে থাকতে হচ্ছে।
হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো জেনারেটর চালিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছে, কিন্তু জ্বালানির খরচ বেড়ে গেছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ল্যাব ও অপারেশন থিয়েটারে দেরি হচ্ছে। বেসরকারি ক্লিনিকগুলো দিনে ১৫–১৬ ঘণ্টা জেনারেটর চালাতে বাধ্য হচ্ছে, ছোট ক্লিনিকগুলো তা পারছে না। ব্যাংক সার্ভার বারবার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, স্কুলে গরমে ক্লাস নেওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের জনসংযোগ পরিচালক শামীম হাসান জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকট আরও গভীর হচ্ছে এবং সামনে আরও ভয়াবহ লোডশেডিং পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।