ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাবে চলতি বছর শ্রমিক দিবসের ছুটির সপ্তাহ শেষে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম রেকর্ড সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। শুক্রবার ডিজেলের দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠে এবং উড়োজাহাজের জ্বালানির দামও ব্যাপক বেড়েছে। এতে বিভিন্ন এয়ারলাইন ভাড়া ও লাগেজ ফি বাড়াচ্ছে এবং কম লাভজনক ফ্লাইট কমিয়ে দিচ্ছে।
‘ড্রিল, বেবি, ড্রিল’ স্লোগান দিয়ে সাশ্রয়ী জ্বালানির প্রতিশ্রুতি দেওয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর এই পরিস্থিতিতে চাপ বেড়েছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে সংকট মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার চাপও বাড়ছে। এ সপ্তাহে তিনি তেল শোধনাগার কোম্পানির নির্বাহীদের হোয়াইট হাউসে ডাকেন, ভেনেজুয়েলার সঙ্গে বড় তেল চুক্তির ঘোষণা দেন এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলরত ট্যাংকারে ইরানি হামলার জবাবে নতুন বিমান হামলা চালান।
সরবরাহ বাড়াতে প্রশাসন কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করেছে এবং কৌশলগত মজুত থেকে বিপুল তেল ছাড়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এতে স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভের মজুত ১৯৮০-এর দশকের শুরুর পর সর্বনিম্নে নেমেছে। পিকারিং এনার্জি পার্টনার্সের ড্যান পিকারিং বলেন, স্বল্পমেয়াদে পেট্রোলের দাম কমাতে প্রশাসনের খুব বেশি করার নেই। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও দাম ৩ ডলারে ফেরার সময়সীমা দিতে অস্বীকৃতি জানান।