যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর ইসরাইলের রাজনৈতিক বিরোধীরা বলছেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্কে নতুন সংকটের আভাস দেখা দিয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রিপাবলিকানপন্থী অবস্থানের মূল্য দেশকে দিতে হচ্ছে। সূত্র অনুযায়ী, মঙ্গলবারের ভোটে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুই কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। ইরানকেন্দ্রিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের অজনপ্রিয় যুদ্ধ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পবিরোধী ক্ষোভের প্রতিফলন হিসেবেও ফলটিকে দেখা হচ্ছে।
সমালোচকদের বক্তব্য, দুই দলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার বদলে প্রকাশ্যে রিপাবলিকানদের পক্ষে দাঁড়িয়ে নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রে ইসরাইলের দীর্ঘদিনের দ্বিদলীয় সমর্থন দুর্বল করেছেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযান শুরু হলে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি রিপাবলিকানদের একাংশের মধ্যেও সমর্থন কমে। এ বছর ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর নির্দেশে ইরানে যৌথ হামলার পর সেই সমর্থন আরও কমেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
নির্বাচনের দিন ট্রাম্প বছরে ৪০০ কোটি ডলারের ইসরাইলি সামরিক সহায়তা দ্রুত বন্ধের ঘোষণা দেন। আভিগদর লিবারম্যান, ইয়াইর গোলান ও ইয়াইর লাপিদ ফলাফলকে নেতানিয়াহুর নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। নেতানিয়াহু এ বিষয়ে নীরব রয়েছেন এবং তার দপ্তরও জবাব দেয়নি। তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক উদি সোমার বলেন, ডেমোক্র্যাটরা শুনানি, নজরদারি ও বাজেট সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ইসরাইলের ওপর চাপ দিতে পারবেন।