ভোলা-৪ আসনের চরফ্যাশন পৌরসভায় নির্বাচনি প্রচারকে কেন্দ্র করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অভিযোগের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছে জামায়াতে ইসলামী চরফ্যাশন উপজেলা শাখা। বৃহস্পতিবার দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা আমীর অধ্যক্ষ মীর মোহাম্মদ শরীফ হোসেন ইসলামী আন্দোলনের নারী কর্মী মারিয়া কামালের হেনস্তার অভিযোগ অস্বীকার করে ভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, বুধবার সকালে মারিয়া কামাল, তার ছেলে তাহযিব ও যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি ফয়সাল হাত পাখা প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ চালানোর সময় ঘটনাটি ঘটে।
জামায়াতের দাবি অনুযায়ী, পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে লিফলেট বিতরণের সময় স্থানীয়দের সঙ্গে বিতর্কের একপর্যায়ে যুব আন্দোলনের নেতা ফয়সাল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বশির উল্লাহকে আঘাত করেন এবং ভিডিও ধারণ করতে গেলে স্থানীয় এক ইমামের মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলেন। পরে হাতাহাতির ঘটনায় ওই ইমাম আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
জামায়াত নেতারা বলেন, ঘটনাটিতে নারী হেনস্তার কোনো বিষয় নেই এবং উভয় পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি মিটে যাওয়ার পরও সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে। এর আগে সকালে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী এ এম এম কামাল উদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান।