আফগান নাগরিক হাসমত মোহাম্মদির মরদেহ দেশে ফিরিয়ে নিতে ঝিনাইদহে এসেছেন তাঁর ভাই ইমাল মোহাম্মদি। বেওয়ারিশ হিসেবে দাফনের সাড়ে চার মাস পর তিনি প্রয়োজনীয় ডিএনএ নথি, মন্ত্রণালয়ের চিঠি ও পরিচয়পত্র নিয়ে সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬ ঝিনাইদহে পৌঁছান। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনাপত্তি দিলেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা না আসায় কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন ও হস্তান্তরের প্রক্রিয়া আটকে আছে।
গত ১৩ এপ্রিল মহেশপুর উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্তের ইছামতী নদী থেকে পুলিশ ও বিজিবির যৌথ দল একটি অজ্ঞাত ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে। পিবিআই আঙুলের ছাপ বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্রের ডাটাবেজে মেলাতে না পারায় মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে ১৪ এপ্রিল ঝিনাইদহ পৌর গোরস্থানে দাফন করে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম। ওই দিন মহেশপুর থানায় অপমৃত্যুর মামলা নম্বর ২০ দায়ের হয়।
নির্ভরযোগ্য সূত্র অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি দেখে স্বজনেরা মরদেহটি হাসমত মোহাম্মদির বলে শনাক্ত করেন। ইমাল বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে হৃদরোগে মৃত্যুর কথা রয়েছে এবং পরিবার ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী আফগানিস্তানে দাফন করতে চায়। জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক চিঠি পেলেই প্রশাসন মরদেহ উত্তোলন ও হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু করবে।