২০২৬ সালের ৫ এপ্রিল জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, গুমের সঙ্গে জড়িত কেউই আইনের ফাঁক গলে পার পাবে না। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের অষ্টম দিনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম আরমানের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ব্যারিস্টার আরমানের মতো ৭০০ জনেরও বেশি মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন, যার মধ্যে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও ছিলেন।
আইনমন্ত্রী জানান, মানবাধিকার কমিশন আইন ও গুম প্রতিরোধ আইনকে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, আইসিটি আইনে গুমকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যেখানে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। কিন্তু প্রস্তাবিত অর্ডিন্যান্সে সর্বোচ্চ ১০ বছরের সাজা রাখা হয়েছে, যা পর্যালোচনার প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, আইনগুলোকে যুগোপযোগী ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে বিল আনা হবে, যাতে কোনো অপরাধী শাস্তি এড়াতে না পারে।