মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কার্যপ্রণালী বিধির একটি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। ব্যারিস্টার আরমানকে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুমতির কথা বলার পর ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে তিনি বলেন, কাউকে কথা বলার সুযোগ দিতে স্পিকার বা সভাপতিত্বকারী কর্মকর্তার নিজস্ব এখতিয়ার রয়েছে।
নাহিদের বক্তব্য ছিল, এ ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুমতির প্রয়োজন নেই। ডেপুটি স্পিকার তাৎক্ষণিকভাবে সংশোধনটি গ্রহণ করে তাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি ব্যাখ্যা করেন, প্রথাগতভাবে কোনো মন্ত্রী বক্তব্য দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্য সদস্যদের সাধারণত ফ্লোর দেওয়া হয় না।
কায়সার কামাল বলেন, আরমান সাহেবও একজন ভিকটিম ছিলেন বলেই তাকে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তিনি স্বীকার করেন, ‘অনুমতি’ শব্দের বদলে ‘অবগতি’ বা ‘কনসেন্ট’ বলা বেশি উপযুক্ত হতো। এই সৌহার্দ্যপূর্ণ সংশোধন ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার ঘটনাটি অধিবেশনে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।