মিশরীয় লেখক হোসাম আল হামালাউয়ি মিডল ইস্ট আইয়ের সঙ্গে আলোচনায় বলেন, ২০১১ সালে হোসনি মুবারকের পতনের পর মিশরে গণতন্ত্র নয়, বরং আরও কঠোর ও কেন্দ্রীভূত এক শাসনব্যবস্থার জন্ম হয়। তার বই ‘মিশরে প্রতিবিপ্লব: সিসির নতুন প্রজাতন্ত্র’-এ তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে বিপ্লবের পর রাষ্ট্রব্যবস্থা পুনর্গঠিত হয়ে এক নতুন ধরনের পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হয়, যার লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যতে কোনো গণআন্দোলনকে প্রতিরোধ করা।
লেখক জানান, মুবারকের আমলে পুলিশ ছিল দমনযন্ত্রের মূল শক্তি, আর ২০১১ সালের বিদ্রোহ সেই কাঠামোকে ভেঙে দেয়। সেনাবাহিনী তখন গণতন্ত্র নয়, রাষ্ট্র রক্ষার স্বার্থে হস্তক্ষেপ করে। মুসলিম ব্রাদারহুড ক্ষমতায় এসে নিরাপত্তা খাতে সংস্কার না করে সমঝোতার চেষ্টা করেছিল, যা শেষ পর্যন্ত ২০১৩ সালের অভ্যুত্থানকে সহজ করে দেয়।
সিসির শাসনে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো একীভূত হয়ে রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করেছে। প্রশাসন, গণমাধ্যম ও নগর পরিকল্পনায় সামরিক নিয়ন্ত্রণ বেড়েছে, যা লেখকের মতে “নতুন প্রজাতন্ত্র” বা দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্রের প্রতীক।