সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য শিশির মনির অভিযোগ করেছেন যে সরকার অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত প্রধান সংস্কারগুলোর বিরোধিতা করছে। সোমবার সুপ্রিমকোর্ট এনেক্স ভবনের সামনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, অনেক অধ্যাদেশ মেনে নেওয়া হয়েছে বলে প্রচার থাকলেও মূল সংস্কার অধ্যাদেশগুলো বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, গণভোট অধ্যাদেশ, বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, বিচারবিভাগ পৃথক সচিবালয় অধ্যাদেশ, গুম কমিশন অধ্যাদেশ, মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ও ব্যাংক সংস্কার অধ্যাদেশসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাব করা হয়েছে। শিশির মনির বলেন, এর মাধ্যমে সরকার জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকারের ১৮ মাসের অর্জন অস্বীকার করছে। তার তথ্যমতে, জাতীয় সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১২টি ল্যাপস, ৩টি বাতিল, ১৩টি পুনর্গঠন, ৭৪টি অপরিবর্তিতভাবে পাস এবং ৩১টি সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব পর্যালোচনার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে, যা আগামী দুই তারিখের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, গণভোট অধ্যাদেশ বাতিল করা হলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী বিধান ক্ষতিগ্রস্ত হবে।