ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মাসব্যাপী যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়া ঠেকাতে মধ্যস্থতাকারীরা নতুন করে তৎপরতা শুরু করেছেন। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনির শুক্রবার প্রতিনিধি দল নিয়ে তেহরানে পৌঁছান, যা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার গতি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। কাতারও ইরানে কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছে বলে জানা গেছে, যদিও তাদের সফরের সময় স্পষ্ট নয়।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, দুই পক্ষের মধ্যে গভীর মতপার্থক্য রয়ে গেছে এবং আলোচনার মূল লক্ষ্য এখন যুদ্ধ বন্ধ রাখা। সুইডেনে অবস্থানরত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, কিছু অগ্রগতি হলেও চূড়ান্ত চুক্তি এখনো হয়নি। আলোচনাগুলো ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অচলাবস্থায় রয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা সতর্ক আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, তবে পরিস্থিতি নাজুক বলে সতর্ক করেছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উপসাগরীয় নেতাদের অনুরোধে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের হামলা স্থগিত করেছেন। সম্ভাব্য চুক্তির মূল বিষয় হিসেবে ইউরেনিয়াম মজুদ ও হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা উল্লেখ করা হয়েছে।