একটি মতামত নিবন্ধে বাংলাদেশে কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে শিশু আইন সংস্কারের দাবি তোলা হয়েছে। নিবন্ধটিতে বলা হয়েছে, ঢাকার মোহাম্মদপুর ও উত্তরাসহ বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে এসব চক্র খুন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ ও মাদক কারবারের মতো অপরাধে জড়াচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যের বরাতে এতে রাজধানী ও আশপাশে শতাধিক কিশোর গ্যাং সক্রিয় থাকার কথা বলা হয়েছে।
নিবন্ধে বলা হয়, জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ অনুসারে প্রণীত শিশু আইন, ২০১৩-তে ১৮ বছর পর্যন্ত সবাইকে শিশু হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। লঘু অপরাধে শিশুদের সংশোধনের সুযোগ এবং প্রাপ্তবয়স্ক অপরাধীদের প্রভাব থেকে দূরে রাখাই আইনের উদ্দেশ্য ছিল। তবে ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের পরিকল্পিত হত্যা বা গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে বর্তমান কাঠামো যথেষ্ট নয় বলে লেখক মত দিয়েছেন।
বর্তমান আইনে কিশোরদের নিয়মিত কারাগারের বদলে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয় এবং ৪২ অনুচ্ছেদে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন দণ্ড নিষিদ্ধ। লেখক গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের মানসিক পরিপক্বতা মূল্যায়ন, নিয়মিত আদালতে বিচারের সুযোগ এবং উন্নয়ন কেন্দ্রের অবকাঠামো ও কাউন্সেলিং আধুনিকায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।