Web Analytics
বাংলাদেশে ভয়াবহ হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে সময়মতো শনাক্ত ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে ৯৯ শতাংশ রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে। ১৬ মে বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশন ও চেস্ট অ্যান্ড হার্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, নিউমোনিয়া ও শ্বাসতন্ত্রজনিত জটিলতা দেখা দিলে মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়, তবে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করলে মৃত্যুহার অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

বক্ষব্যাধী বিশেষজ্ঞ ডা. জিয়াউল হক জানান, টিকাদান কর্মসূচির বিঘ্নের কারণে মার্চ থেকে ১৪ মে পর্যন্ত ৫৪ হাজার ৪১৯ শিশুর মধ্যে হাম ও হাম সদৃশ উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৭০ জন হামে এবং ৩৬৯ জন হাম সদৃশ উপসর্গে মারা গেছে। তিনি টিকাদান কর্মসূচি চালু রাখা, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ‘ফিভার কর্নার’ স্থাপন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুসরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন।

শিশু বিশেষজ্ঞরা বলেন, অপুষ্টি ও দেরিতে হাসপাতালে আনার কারণে নিউমোনিয়ার জটিলতা বাড়ে। শ্বাসকষ্ট বা উচ্চ জ্বর দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।