নিবন্ধটিতে অভিযোগ করা হয়েছে, ভারতের সাউথব্লক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরে নিতে চাপ দিচ্ছে এবং ভারতীয় কূটনীতিকেরা হুমকি ও প্রলোভনের ভাষায় কথা বলছেন। এতে সাবেক কূটনীতিক বীণা সিক্রির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের হাতে সময় খুব কম। বিদ্যা ভূষণ সোনির বরাত দিয়ে আরও বলা হয়েছে, তিনি ভারত সফরে না গেলে যোগাযোগ ও সুযোগ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
লেখকের বক্তব্য, ভারত থেকে বিদ্যুৎ ও ডিজেল কেনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ওপর আগের সরকারের করা চুক্তির বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আদানির সঙ্গে ২৫ বছরের চুক্তিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ নিতে হবে, না নিলে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হবে বলে নিবন্ধে দাবি করা হয়েছে। চুক্তি বাতিল করলে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ব্যয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বলেও এতে বলা হয়েছে।
নিবন্ধটি আরও দাবি করে, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশ যুক্ত হতে পারে—এমন ধারণা থেকেই ভারতের অস্বস্তি। এতে প্রতিরক্ষাশিল্প সহযোগিতা, ড্রোন ও মনুষ্যবিহীন অস্ত্র উৎপাদন এবং প্রযুক্তি বিনিময়ের কথা বলা হয়েছে। লেখকের মতে, ভারতের চাপ বাড়লে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ওই জোটে যোগ দিতে পারে।