তথ্য গোপন করে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ, গিয়ারবক্স ও পুরোনো পেট্রোল ইঞ্জিন হিসেবে বিলাসবহুল গাড়ি আমদানির অভিযোগে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) এক সপ্তাহেরও কম সময়ে ১১টি গাড়ি ও গাড়ির খণ্ডিত অংশ জব্দ করেছে। চট্টগ্রাম, মোংলা ও কক্সবাজারসহ বিভিন্ন স্থান থেকে এসব জব্দ করা হয়। কর্মকর্তাদের ধারণা, জব্দ হওয়া গাড়িগুলোর সম্ভাব্য বাজারমূল্য ৩০ কোটি টাকার বেশি।
কাস্টমস কর্মকর্তাদের ভাষ্য, পূর্ণাঙ্গ গাড়ির উচ্চ শুল্ক, পুরোনো ও রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানির বিধিনিষেধ এবং অন্যান্য জটিলতা এড়াতে একটি চক্র গাড়ি কেটে অংশ হিসেবে ঘোষণা দিচ্ছে। দেশে আনার পর ওয়ার্কশপে সেগুলো জোড়া লাগিয়ে পূর্ণাঙ্গ গাড়ি বানানোর অভিযোগ রয়েছে। দুই হাজার সিসির বেশি গাড়ি বিলাসি পণ্য হিসেবে চিহ্নিত এবং ধরনভেদে এসবের শুল্ক ২৫০ থেকে ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত।
মঙ্গলবার জাপান থেকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল দিয়ে লেক্সাস এলএক্স ৬০০, লেক্সাস এসসি ৪৩০ ও বিএমডব্লিউ এম৫-এর খণ্ডিত অংশ আনা হয়, যার শুল্ক-করসহ মূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে কাস্টমস। আন্তর্জাতিক হারমোনাইজড সিস্টেমের ব্যাখ্যা বিধি অনুসারে খণ্ডিত অংশে পূর্ণ পণ্যের মৌলিক বৈশিষ্ট্য আছে কি না, তা পরীক্ষা করছে কাস্টমস।