ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানে নিযুক্ত তেহরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোকাদ্দাম বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কোনো সরাসরি বা পরোক্ষ আলোচনা হয়নি। তিনি আরও জানান, বন্ধুপ্রতিম দেশগুলো তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপের ক্ষেত্র তৈরির চেষ্টা করছে এবং আশা করা হচ্ছে এই প্রচেষ্টা চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ বন্ধে সহায়ক হবে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, তার প্রশাসন ইরানের যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছে এবং ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে মরিয়া। জবাবে ইরানের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আসলে নিজের সঙ্গেই আলোচনা করছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও বলেছেন, তার দেশ এই সংঘাত নিরসনে আলোচনার আয়োজন করতে প্রস্তুত।
এই ঘটনাগুলো এমন সময় ঘটছে যখন ইসরাইল ও ইরানের সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ইরান যুদ্ধের কারণে এশিয়ার জ্বালানি সংকট ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।