এএফপির এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্থাপনা বা সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে অন্তত ২৫টি ইরানি হামলা হয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ মার্চ ১৫০০ জিএমটি পর্যন্ত এসব হামলার ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি হামলা সৌদি আরব, কুয়েত ও ইরাকে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বা কনস্যুলেটকে লক্ষ্য করে চালানো হয়। বাকি ২১টি হামলায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন দিয়ে ১৩টি ভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়। সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটি ও ইরাকের ইরবিল বিমানবন্দর অন্তত চারবার করে হামলার শিকার হয়েছে। কাতারের আল-উদেইদ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা বিমান ঘাঁটিতেও অন্তত দুবার করে হামলা হয়েছে।
এই হিসাবের বাইরে আরও সাতটি হামলা রয়েছে, যেগুলো ইরান যুক্তরাষ্ট্র বা উপসাগরীয় দেশগুলোর রাডার ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্য করে চালিয়েছে বা দাবি করেছে। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণে ১২টি হামলায় ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। সর্বশেষ ছবি ৫ মার্চের। এরপর নিরাপত্তার কারণে যুক্তরাষ্ট্র উচ্চ রেজল্যুশনের স্যাটেলাইট চিত্রের প্রাপ্যতা সীমিত করে।
এএফপি আরও জানায়, সংঘাত শুরুর পর থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে প্রায় ৩০টি হামলা হয়েছে, যার অর্ধেকেরও বেশি ইরান চালিয়েছে।