প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান বাংলাদেশ সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিতকারী আইন ও অধ্যাদেশ বাতিল করেছে। লেখক আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের সংসদে দেওয়া বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, সরকারের প্রথম ৪২ দিনে গুম বা ক্রসফায়ার না হওয়া ভবিষ্যতে দায়মুক্তির নিশ্চয়তা দেয় না। প্রতিবেদনে ইঙ্গিত করা হয়েছে, সরকার স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়।
প্রতিবেদনটি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের দলীয়করণের ইতিহাস তুলে ধরে, যেখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় সরকারের সময়ই রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ ছিল। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন ও বিচারক নিয়োগ নীতিমালা বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়। এগুলো বাতিল করা বিএনপির ঘোষিত রাষ্ট্রসংস্কার প্রতিশ্রুতিরও পরিপন্থী বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
লেখকের মতে, ধারাবাহিকভাবে সব সরকারই বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বাস্তবায়নে অনীহা দেখিয়েছে, এবং সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তগুলো নির্বাহী বিভাগের প্রভাব আরও জোরদার করবে।