নিবন্ধটিতে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সামরিক ও রাজনৈতিক জোট হিসেবে বর্ণিত মক্কা জোটে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান নিয়ে বিতর্ক আলোচনা করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এখনো জোটে যোগদানের আমন্ত্রণ পায়নি। তবে সৌদি সরকারের উচ্চপর্যায়ের দূতের বাংলাদেশ সফর, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা বেড়েছে।
লেখক মনে করেন, জোটে যোগ দিলে বাংলাদেশ কৌশলগত সুবিধা ও জাতীয় নিরাপত্তা শক্তিশালী করার সুযোগ পেতে পারে এবং শক্তিশালী মিত্রও অর্জন করতে পারে। অন্যদিকে কয়েকজন মতামত নেতা আশঙ্কা করছেন, এতে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বাংলাদেশে টেনে আনা হতে পারে, সৈন্য পাঠানোর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে এবং ভারত বিষয়টিকে স্বাভাবিকভাবে নাও নিতে পারে। নিবন্ধে তুরস্ক, পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠতাকে ভারতের জন্য অস্বস্তিকর বলেও তুলে ধরা হয়েছে।
নিবন্ধে জাতীয় ঐকমত্যের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাকে গণতান্ত্রিক সৌন্দর্য বলা হয়েছে। এতে সৌদি আরবে ৩০ লাখ বাংলাদেশির কর্মসংস্থানসহ জোটভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে প্রবাসী, রেমিট্যান্স, রপ্তানি ও সহায়তার সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। লেখকের মতে, ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রয়োজন হলেও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বাংলাদেশের স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।