জ্বালানি সংকট, রাজস্ব আহরণে স্থবিরতা এবং দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতির মধ্যে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ সরকার। এতে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বাড়বে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে এক লাখ পাঁচ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। ২০২৮ সালের জানুয়ারিতে সব ভাতা একযোগে কার্যকর হলে বেতন-ভাতায় বার্ষিক ব্যয় প্রায় দুই লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে।
চলতি অর্থবছরে নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত প্রয়োজন হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, বিপরীতে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা; ঘাটতি ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এনবিআর পাঁচ লাখ তিন হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যের বিপরীতে চার লাখ ১৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব সংগ্রহ করেছে।
অর্থ বিভাগের সূত্র বলেছে, প্রজ্ঞাপন জারি, বেতন নির্ধারণ এবং আইবাস প্লাস প্লাসে তথ্য যুক্ত করার কারণে কর্মচারীদের নতুন কাঠামোয় বেতন পেতে আরও এক মাস লাগতে পারে। সরকার ও অর্থনীতিবিদরা মূল্যস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকির কথা বলেছেন। তাদের মতে, সরকারি ঋণ বাড়লে ব্যাংক খাতে চাপ তৈরি হতে পারে এবং বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহও সীমিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।