আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষমতা থেকে সরানোর বিষয়টি প্রচারণার মূল ইস্যু করা হবে কি না, তা নিয়ে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরে মতভেদ দেখা দিয়েছে। এতদিন অর্থনীতি ছিল প্রধান ইস্যু, কিন্তু ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের হুমকি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত মন্তব্য এবং পোপকে আক্রমণের পর দলের একটি অংশ আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। প্রতিনিধি পরিষদের প্রায় ৪০ শতাংশ ডেমোক্র্যাট সদস্য সংবিধানের ২৫তম সংশোধনীর আওতায় প্রেসিডেন্টের সক্ষমতা যাচাইয়ে কমিশন গঠনের বিলে স্বাক্ষর করেছেন, যা অভিশংসন ছাড়াই তাকে অপসারণের পথ খুলে দিতে পারে।
তবে দলের অন্য অংশ সতর্ক করে বলছে, ট্রাম্প ইস্যুতে অতিরিক্ত মনোযোগ দিলে দ্রব্যমূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের মতো জনবান্ধব ইস্যুগুলো আড়ালে পড়ে যেতে পারে। তারা মনে করিয়ে দিচ্ছে, দুইবার অভিশংসন করেও ট্রাম্পকে রোখা যায়নি, বরং তিনি ২০২৪ সালে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। রয়টার্স ও ইপসোসের জরিপে দেখা গেছে, ৭৭ শতাংশ ভোটার গ্যাসোলিনের দাম বৃদ্ধির জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করছেন। প্রতিনিধি হেনরি কুয়েলার অর্থনৈতিক ইস্যুতে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, অন্যদিকে জন লারসন ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ১৩টি অভিশংসন প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন।
রিপাবলিকান কৌশলবিদরা এই বিভক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, এতে ভোটারদের কাছে বার্তা যাবে যে ট্রাম্প অর্থনীতি নিয়ে কাজ করছেন, আর ডেমোক্র্যাটরা ব্যস্ত কেবল তাকে সরানো নিয়ে।