দেশের অন্যতম পুরোনো পাইলট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমি অ্যান্ড জেনারেল অ্যাভিয়েশন লিমিটেড তহবিল সংকট, পর্যাপ্ত সহায়তার ঘাটতি ও উড্ডয়নযোগ্য উড়োজাহাজ না থাকায় গত ২৮ জুন থেকে সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। ভারপ্রাপ্ত জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন আবু সাফা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে স্থগিতের বিষয়টি জানান। ফলে ক্যাডেটদের উড্ডয়ন প্রশিক্ষণ বছরের পর বছর বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষের হিসাবে একাডেমিতে প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থী ছিলেন, যাদের মধ্যে ৩৫ জন চলতি বছর অন্য ফ্লাইং স্কুলে ভর্তি হয়েছেন। বাকিরা সেখানে গ্রাউন্ড কোর্স শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ২০২৩ সালে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী সাইদ রিয়াদ বলেন, দুই বছরে কোর্স শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তারা তিন বছর ধরে অনিশ্চয়তায় আছেন। তাঁর দাবি, কিছু ক্যাডেট আট বছর ধরে উড্ডয়ন প্রশিক্ষণের অপেক্ষায় রয়েছেন।
একাডেমির কাছে থাকা লিজ নেওয়া সেসনা-১৫২ উড়োজাহাজটি কারিগরি সমস্যায় অচল রয়েছে। আর্থিক অনিয়ম, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বকেয়া বেতন ও নির্বাচন বিলম্বের অভিযোগ উঠেছে। আবু সাফা দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নিরীক্ষা হালনাগাদ আছে এবং সমস্যা সমাধান করে কার্যক্রম পুনরায় চালুর চেষ্টা হচ্ছে। তবে কবে একাডেমি খুলবে, তা তিনি বলতে পারেননি।