২০২৬ সালের ৫ মে ঢাকার শাপলা চত্বর অভিযানের ১৩ বছর পর সেই রাতের বেঁচে থাকা আহতরা তাদের জীবনের সংগ্রাম ও স্মৃতি তুলে ধরেছেন। ২০১৩ সালের ওই রাতে হেফাজতে ইসলামের ডাকে সমাবেশে যোগ দেওয়া হাজারো মানুষ নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে আহত বা নিহত হন বলে অভিযোগ রয়েছে, যদিও কোনো সরকারি পরিসংখ্যান আজও প্রকাশিত হয়নি। আহতদের মধ্যে রাশেদুল ইসলাম সিরাজী, মোহাম্মদ নূরে আলম ও নাসির উদ্দিন আহমেদ আজও শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন।
রাশেদুল এক পা হারিয়ে ঋণের বোঝা নিয়ে ছোট দোকান চালান। নূরে আলম এক চোখ হারিয়ে ও শরীরের এক পাশ অবশ হয়ে পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। নাসির উদ্দিনের পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায় এবং চিকিৎসার খরচে ঋণের ভারে জর্জরিত হন। তারা সবাই অভিযোগ করেছেন, সরকার বা হেফাজতে ইসলাম কেউই আহতদের পুনর্বাসন বা ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করেনি।
তাদের সাক্ষ্য শাপলা চত্বরের সহিংসতার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ও সরকারি স্বীকৃতির দাবিকে আবারও সামনে এনেছে।