ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে উন্নত চীনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল ব্যবহারে কার্যত নিষেধাজ্ঞা আরোপের পদক্ষেপ বিবেচনা করছে বলে অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে জানা গেছে। সূত্র জানায়, চীনা ওপেন-সোর্স মডেল ‘কিমি’-র উত্থানের পর এই আলোচনা নতুন করে গতি পেয়েছে। বাণিজ্য বিভাগ, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা ও হোয়াইট হাউসের সাইবার দপ্তর পূর্বে চীনা এআই ল্যাবগুলোকে ‘এনটিটি লিস্ট’-এ অন্তর্ভুক্ত করা, সতর্কতা জারি করা বা মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য নিরাপত্তা দায়বদ্ধতা আরোপের মতো পদক্ষেপ বিবেচনা করেছিল। তবে উদ্ভাবন বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় সেই প্রচেষ্টা থেমে যায়, যদিও জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের চাপের কারণে এখন আবার গতি পাচ্ছে।
বর্তমানে প্রশাসন সরাসরি নিষেধাজ্ঞার বদলে পরোক্ষ চাপের কৌশল নিচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে সরকারি ক্রয়নীতি, নিরাপত্তা ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কতা এবং দেশীয় এআই ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়ার প্রচারণা অন্তর্ভুক্ত। প্রতিযোগিতামূলক নীতির পক্ষের পরামর্শক ডেভিড স্যাকস সতর্ক করেছেন, এসব পদক্ষেপ ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিকের মতো বড় কোম্পানির আধিপত্য বাড়িয়ে ওপেন-সোর্স উদ্ভাবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
চীনের এআই অগ্রগতির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রে নিরাপত্তা ও বাজার প্রতিযোগিতার ভারসাম্য নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হচ্ছে।